কারণ: শরীরে ক্যালসিয়াম ও Vitamin D3-এর ঘাটতি
কাজ: হাড় ও দাঁত মজবুত করে, ক্যালসিয়াম ও Vitamin D3-এর অভাব পূরণ করে, হাড় দুর্বলতা ও muscle cramp কমাতে সাহায্য করে
সময়: দুপুরে 1টি ও রাত্রে 1টি খাবার পর
👉সতর্কতা:
1. এটি গ্যাস বা এসিডিটির ওষুধ নয়।
2. কিডনিতে পাথর, কিডনি সমস্যা বা রক্তে ক্যালসিয়াম বেশি থাকলে আগে ডাক্তারকে জানান।
3. অতিরিক্ত মাত্রায় খেলে বমি, কোষ্ঠকাঠিন্য, পেট ব্যথা হতে পারে।
4. দীর্ঘদিন নিজে নিজে না খেয়ে ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।
কারণ: এসিডিটি, গ্যাস্ট্রিক, বুকজ্বালা (GERD), পাকস্থলীর আলসার
কাজ: পাকস্থলীর অতিরিক্ত অ্যাসিড উৎপাদন কমায়, বুকজ্বালা ও গ্যাস্ট্রিকের জ্বালা কমাতে সাহায্য করে, আলসার সারাতে সহায়ক
সময়: সকালে খালি পেটে 1টি (খাবারের 30–60 মিনিট আগে), ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী
👉সতর্কতা:
1. দীর্ঘদিন নিজে নিজে খাওয়া উচিত নয়।
2. মাথাব্যথা, ডায়রিয়া, পেট ব্যথা, গ্যাস, মাথা ঘোরা হতে পারে।
3. লিভার সমস্যা থাকলে আগে ডাক্তারকে জানান।
4. দীর্ঘদিন খেলে Vitamin B12 ও Magnesium কমে যেতে পারে।
কারণ: জয়েন্ট ব্যথা, পেশীর ব্যথা, দাঁতের ব্যথা, আঘাতজনিত ব্যথা ও ফোলা
কাজ: ব্যথা কমায়, ফোলা ও ইনফ্ল্যামেশন কমাতে সাহায্য করে, জয়েন্ট ও পেশীর অস্বস্তি উপশম করে
সময়: সকালে 1টি ও রাত্রে 1টি, খাবারের পরে, ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী
👉সতর্কতা:
1. খালি পেটে খাবেন না—পেটে জ্বালা বা গ্যাস্ট্রিক হতে পারে।
2. দীর্ঘদিন নিজে নিজে খাওয়া ঠিক নয়।
3. গ্যাস্ট্রিক, আলসার, কিডনি বা লিভারের সমস্যা থাকলে সাবধানে খেতে হয়।
4. বমি, পেট ব্যথা, গ্যাস, মাথা ঘোরা বা ডায়রিয়া হতে পারে।
কারণ: জয়েন্টের ব্যথা, হাঁটু/কোমর/কাঁধের সমস্যা, হাড় ও কার্টিলেজ দুর্বলতা
কাজ: জয়েন্ট ও কার্টিলেজের পুষ্টি জোগায়, হাড় ও জয়েন্ট মজবুত করতে সাহায্য করে, জয়েন্টের শক্তভাব (stiffness) ও অস্বস্তি কমাতে সহায়ক
সময়: রাত্রে 1 টি, খাবারের পরে, ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী
👉সতর্কতা:
1. এটি ব্যথানাশক নয়, একটি নিউট্রিশনাল সাপ্লিমেন্ট—তাৎক্ষণিক আরাম নাও দিতে পারে।
2. কিডনি সমস্যা বা কিডনিতে পাথরের ইতিহাস থাকলে আগে ডাক্তারকে জানান।
3. অতিরিক্ত মাত্রায় খেলে পেট ব্যথা, গ্যাস বা কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে।
4. দীর্ঘদিন ব্যবহার করলে ডাক্তারের ফলো‑আপ রাখা ভালো।
কারণ: গুরুতর ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ (চামড়া ও নরম টিস্যু সংক্রমণ, নিউমোনিয়া, কিছু রেজিস্ট্যান্ট ব্যাকটেরিয়ার ইনফেকশন)
কাজ: ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি বন্ধ করে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করে, গুরুতর ও রেজিস্ট্যান্ট ইনফেকশনে কার্যকর
সময়: সকালে 1টি ও রাত্রে 1টি খাবার পর
👉সতর্কতা:
1. এটি শক্তিশালী অ্যান্টিবায়োটিক—ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া শুরু/বন্ধ করবেন না।
2. নির্ধারিত কোর্স অসম্পূর্ণ রাখলে সংক্রমণ আবার বাড়তে পারে।
3. দীর্ঘদিন খেলে রক্তের কোষ কমে যাওয়া, দৃষ্টি সমস্যা বা ঝিমুনি হতে পারে—ফলো‑আপ জরুরি।
4. কিছু ওষুধ (বিশেষ করে ডিপ্রেশন/সেরোটোনিন‑সম্পর্কিত) এর সাথে একসাথে খাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে—সব ওষুধের তালিকা ডাক্তারকে জানান।
কারণ: শরীরে Vitamin D3-এর ঘাটতি, হাড় দুর্বলতা, ক্যালসিয়াম শোষণ কম হওয়া
কাজ: Vitamin D3-এর অভাব পূরণ করে, ক্যালসিয়াম শোষণে সাহায্য করে, হাড় ও দাঁত মজবুত রাখতে সহায়তা করে, মাসল দুর্বলতা ও ব্যথা কমাতে সাহায্য করে
সময়: সাধারণত সপ্তাহে 1 বার (60,000 IU), খাবারের পরে, ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী(7 দিন ছাড়া)
👉সতর্কতা:
1. এটি দৈনিক খাওয়ার ওষুধ নয়—নিজে নিজে প্রতিদিন খাবেন না।
2. কিডনিতে পাথর, কিডনি সমস্যা বা রক্তে ক্যালসিয়াম বেশি থাকলে আগে ডাক্তারকে জানান।
3. অতিরিক্ত মাত্রায় খেলে বমি, দুর্বলতা, কোষ্ঠকাঠিন্য বা প্রস্রাব বেশি হতে পারে।
4. দীর্ঘদিন ব্যবহার করলে রক্ত পরীক্ষা ও ডাক্তারের ফলো‑আপ জরুরি।
কারণ: নার্ভে ব্যথা বা স্নায়ুজনিত সমস্যা
কাজ: ব্যথা কমাতে সাহায্য করে, স্নায়ু ও মাংসপেশির আরাম দেয়, এবং স্নায়ুর প্রদাহ হ্রাস করে
সময়: প্রতিদিন ১টি করে খাবার পর
👉সতর্কতা:
1. ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া অতিরিক্ত না খাওয়া।
2. কিডনির সমস্যা বা অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যা থাকলে ডাক্তারকে জানানো।
3. অতিরিক্ত মাত্রায় খেলে মাথাব্যথা, মুড পরিবর্তন বা ঘুমের সমস্যা হতে পারে।
4. গর্ভবতী মহিলাদের জন্য এটি নিরাপদ নয়।
কারণ: অবসাদ, ডিপ্রেশন, বা উদ্বেগজনিত সমস্যা
কাজ: মনোভাবের উন্নতি ঘটায়, উদ্বেগ কমায়, এবং ঘুমের সমস্যা সমাধানে সাহায্য করে
সময়: প্রতিদিন রাত্রে ১টি করে খাবার পর(30 days)অথবা ডাক্তার নির্দেশিত সময়ে
👉সতর্কতা:
1. ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া অতিরিক্ত না খাওয়া।
2. গর্ভবতী বা স্তন্যদানকারী মহিলাদের জন্য এটি নিরাপদ নয়।
3. লিভারের সমস্যা বা অন্য স্বাস্থ্য সমস্যা থাকলে ডাক্তারকে জানানো।
4. অতিরিক্ত মাত্রায় খেলে মাথাব্যথা, ঘুমের সমস্যা বা মেজাজ পরিবর্তন হতে পারে।
কারণ: ক্যালসিয়ামের অভাব, গর্ভাবস্থা, দুধ পানের সময় বা ডাক্তার নির্দেশিত ক্ষেত্রে
কাজ: হাড় শক্ত রাখতে সাহায্য করে, ক্যালসিয়ামের অভাব পূরণ করে, এবং হাড়ের বিকাশে সহায়ক
সময়: প্রতিদিন ১টি করে খাবার পর দুপুরে (30 days)অথবা ডাক্তার নির্দেশিত সময়ে
👉সতর্কতা:
1. ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া অতিরিক্ত না খাওয়া।
2. কিডনির সমস্যা বা অন্য স্বাস্থ্য সমস্যা থাকলে ডাক্তারকে জানানো।
3. অতিরিক্ত মাত্রায় খেলে গ্যাস, পেটের ব্যথা বা কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে।
4. গর্ভবতী বা স্তন্যদানকারী মহিলাদের জন্য এটি নিরাপদ নয়।
কারণ: নিউরোপ্যাথি, স্নায়ুজনিত ব্যথা, এবং অতিরিক্ত ভিটামিন B12, B6, এবং ফোলিক অ্যাসিডের অভাব
কাজ: স্নায়ু সুরক্ষা ও উন্নতি, ব্যথা কমানো, এবং স্নায়ু শক্তি বৃদ্ধি
সময়: প্রতিদিন রাত্রে ১টি করে খাবার পর(30 days)অথবা ডাক্তার নির্দেশিত সময়ে
👉সতর্কতা:
1. ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া অতিরিক্ত না খাওয়া।
2. কিডনির সমস্যা বা অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যা থাকলে ডাক্তারকে জানানো।
3. অতিরিক্ত মাত্রায় খেলে মাথাব্যথা, মুড পরিবর্তন বা ঘুমের সমস্যা হতে পারে।
4. গর্ভবতী মহিলাদের জন্য এটি নিরাপদ নয়।
কারণ: গ্যাস্ট্রিক বা অ্যাসিডিটি, এসিড রিফ্লাক্স, পেটের সমস্যা
কাজ: পেটের অ্যাসিড কমাতে সাহায্য করে, এসিড রিফ্লাক্সের সমস্যা সমাধান করে, এবং পেটের ক্ষয় রোধ করে
সময়: প্রতিদিন ১টি করে খাবার আগে সকালে অথবা ডাক্তার নির্দেশিত সময়ে
👉সতর্কতা:
1. ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া অতিরিক্ত না খাওয়া।
2. কিডনির সমস্যা বা অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যা থাকলে ডাক্তারকে জানানো।
3. অতিরিক্ত মাত্রায় খেলে মাথাব্যথা, পেটের ব্যথা বা মূত্রনালীর সমস্যা হতে পারে।
4. গর্ভবতী মহিলাদের জন্য এটি নিরাপদ নয়।
কারণ: ব্যথা, জ্বর, সর্দি, মাংসপেশির ব্যথা
কাজ: ব্যথা কমাতে, প্রদাহ এবং জ্বর হ্রাস করতে সাহায্য করে
সময়: প্রতিদিন ১টি করে খাবার পর সকাল ও সন্ধ্যা অথবা ডাক্তার নির্দেশিত সময়ে
👉সতর্কতা:
1. ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া অতিরিক্ত না খাওয়া।
2. কিডনি বা লিভারের সমস্যা থাকলে ডাক্তারকে জানানো।
3. অতিরিক্ত মাত্রায় খেলে পেটের সমস্যা বা মাথাব্যথা হতে পারে।
4. গর্ভবতী বা স্তন্যদানকারী মহিলাদের জন্য এটি নিরাপদ নয়।
কারণ: ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ (গলা, ফুসফুস, সাইনাস, ত্বক, মূত্রনালী, দাঁতের সংক্রমণ)
কাজ: ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি বন্ধ করে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করে, শ্বাসনালী, ত্বক ও ইউরিন ইনফেকশনে কার্যকর অ্যান্টিবায়োটিক
সময়: সাধারণত দিনে ২ বার (সকাল ও রাত্রে) খাবারের পরে, ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী নির্দিষ্ট কোর্স সম্পূর্ণ করতে হবে
👉সতর্কতা:
1. এটি অ্যান্টিবায়োটিক—ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া শুরু বা বন্ধ করবেন না।
2. নির্ধারিত কোর্স অসম্পূর্ণ রাখলে সংক্রমণ আবার ফিরে আসতে পারে।
3. বমি, ডায়রিয়া, পেট ব্যথা বা অ্যালার্জি হতে পারে।
4. কিডনি সমস্যা বা পেনিসিলিন/সেফালোস্পোরিন অ্যালার্জি থাকলে অবশ্যই ডাক্তারকে জানান।
কারণ: ব্যথা, ফোলা, প্রদাহ, আঘাতের পরের ব্যথা, দাঁতের ব্যথা, অপারেশনের পরের ব্যথা
কাজ: ব্যথা ও প্রদাহ কমায়, ফোলা দ্রুত কমাতে সাহায্য করে এবং ক্ষত নিরাময় প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করে
সময়: সাধারণত দিনে ১–২ বার খাবারের পরে, ডাক্তারের নির্দেশ অনুযায়ী সেবন করতে হবে
👉সতর্কতা:
1. খালি পেটে খাবেন না।
2. আলসার, গ্যাস্ট্রিক বা লিভার সমস্যা থাকলে ডাক্তারকে জানানো জরুরি।
3. দীর্ঘদিন সেবন করলে কিডনি ও লিভারের উপর প্রভাব ফেলতে পারে।
4. গর্ভবতী বা স্তন্যদানকারী মহিলাদের ক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ব্যবহার করবেন না।
কারণ: স্নায়ুর ব্যথা (Neuropathic pain), ডায়াবেটিসজনিত নার্ভ ব্যথা, পিঠ বা পায়ের ঝিনঝিনে ব্যথা
কাজ: স্নায়ুর অতিরিক্ত উত্তেজনা কমিয়ে ব্যথা, জ্বালা ও ঝিনঝিনে ভাব কমাতে সাহায্য করে
সময়: সাধারণত দিনে ১টি করে রাতে খাবার পর অথবা ডাক্তারের নির্দেশ অনুযায়ী
👉সতর্কতা:
1. ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া হঠাৎ বন্ধ করা যাবে না।
2. ঘুম ঘুম ভাব বা মাথা ঘোরা হতে পারে, তাই গাড়ি চালানো এড়িয়ে চলুন।
3. কিডনি, হৃদরোগ বা মানসিক সমস্যা থাকলে অবশ্যই ডাক্তারকে জানান।
4. অ্যালকোহল (মদ) খাওয়া এড়িয়ে চলা উচিত।